নদীর বিদ্রোহ MCQ প্রশ্ন উত্তর
১, যে-পেসঞ্জার ট্রেনটিকে নদেরচাঁদ রওনা করিয়ে দিয়েছিল, তার সময় ছিল—
(ক) চারটে পঁয়তাল্লিশ
(খ) পাঁচটা কুড়ি
(গ) চারটে আটচল্লিশ
(ঘ) পাঁচটা আটচল্লিশ
উত্তর: (ক) চারটে পঁয়তাল্লিশ
২, নদেরচাঁদ যাকে ডেকে বলল ‘আমি চললাম হে’, সে হল তার—
(ক) স্ত্রী
(খ) সহকর্মী
(গ) নতুন সহকারী
(ঘ) দারোয়ান
উত্তর: (গ) নতুন সহকারী
৩, চারটে পঁয়তাল্লিশের যে-ট্রেনটিকে নদেরচাঁদ রওনা করিয়ে দিয়েছিল, সেটি হল—
(ক) মেল ট্রেন
(খ) পেসঞ্জার ট্রেন
(গ) মালগাড়ি
(ঘ) টয় ট্রেন
উত্তর: (খ) পেসঞ্জার ট্রেন
৪, স্টেশন থেকে নদীর উপরকার ব্রিজের দূরত্ব হল—
(ক) তিন কিলোমিটার
(খ) পাঁচ মাইল
(গ) পাঁচশো মিটার
(ঘ) এক মাইল
উত্তর: (ঘ) এক মাইল
৫, অঝোর বৃষ্টি হয়েছিল—
(ক) পাঁচ দিন ধরে
(খ) তিন দিন ধরে
(গ) দু-দিন ধরে
(ঘ) সাত দিন ধরে
উত্তর: (ক) পাঁচ দিন ধরে
৬, যখন বৃষ্টি থামল, তখন—
(ক) দুপুর
(খ) বিকেল
(গ) রাত্রি
(ঘ) ভোর
উত্তর: (খ) বিকেল
৭, নদেরচাঁদ নদীকে দেখেনি—
(ক) তিন দিন
(খ) পাঁচ দিন
(গ) সাত দিন
(ঘ) এক দিন
উত্তর: (খ) পাঁচ দিন
৮, নদেরচাঁদের ঔৎসুক্য ছিল—
(ক) ছেলেমানুষের মতো
(খ) বুড়োমানুষের মতো
(গ) মহিলাদের মতো
(ঘ) পুরুষদের মতো
উত্তর: (ক) ছেলেমানুষের মতো
৯, নদেরচাঁদ বাঁচবে না—
(ক) ব্রিজ থেকে সরে না-গেলে
(খ) বউকে না-দেখতে পেলে
(গ) নদীকে না-দেখলে
(ঘ) নদীর সঙ্গে না-খেললে
উত্তর: (গ) নদীকে না-দেখলে
১০, দু-দিকে জলে ডুবে গিয়েছিল—
(ক) রাস্তা
(খ) বাড়িঘর
(গ) ধানখেত
(ঘ) মোটঘাট
উত্তর: (ঘ) মোটঘাট
১১, নদেরচাঁদ হেঁটে যাচ্ছিল—
(ক) রেলের উঁচু বাঁধ দিয়ে
(খ) রেলব্রিজ দিয়ে
(গ) পাকা রাস্তা দিয়ে
(ঘ) নদীর পাড় দিয়ে
উত্তর: (ক) রেলের উঁচু বাঁধ দিয়ে
১২, নদেরচাঁদ কল্পনা করার চেষ্টা করল—
(ক) আকাশ-ভাঙা বৃষ্টি
(খ) নদীর বর্ষণ-পুষ্ট মূর্তি
(গ) মেঘাচ্ছন্ন আকাশ
(ঘ) পঙ্কিল জলস্রোত
উত্তর: (খ) নদীর বর্ষণ-পুষ্ট মূর্তি
১৩, নদেরচাঁদ ছিল একজন—
(ক) ট্রেনের চালক
(খ) লাইটম্যান
(গ) স্টেশনমাস্টার
(ঘ) মাস্টারমশাই
উত্তর: (গ) স্টেশনমাস্টার
১৪, নদেরচাঁদের বয়স হল—
(ক) বাইশ বছর
(খ) আটান্ন বছর
(গ) ত্রিশ বছর
(ঘ) চল্লিশ বছর
উত্তর: (গ) ত্রিশ বছর
১৫, নদীর জন্য নদেরচাঁদের মায়াকে স্বাভাবিক বলার কারণ হল—
(ক) প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই স্বভাব প্রায় দেখা যায় না
(খ) নদী প্রকৃতির একটি সাধারণ অঙ্গ
(গ) নদীর প্রতি এই মায়া ‘পাগলামির লক্ষণ’
(ঘ) ওপরের সবকটিই
উত্তর: (ক) প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে এই স্বভাব প্রায় দেখা যায় না
১৬, নদীর প্রতি নিজের পাগলামিতে নদেরচাঁদের—
(ক) ভয় হয়
(খ) দুঃখ হয়
(গ) আনন্দ হয়
(ঘ) গর্ব হয়
উত্তর: (গ) আনন্দ হয়
১৭, নদীকে ভালোবাসার কৈফিয়ত হিসেবে নদেরচাঁদ যে কারণ দেখায়, সেটি হল—
(ক) সে কোনোদিন নদী দেখেনি
(খ) নদীটি খুব সুন্দর
(গ) নদী থেকে সে মাছ ধরে
(ঘ) নদীর ধারে তার জন্ম
উত্তর: (ঘ) নদীর ধারে তার জন্ম
১৮, শৈশবে, কৈশোরে ও প্রথম যৌবনে মানুষ—
(ক) ভালোমন্দের হিসেব করে না
(খ) বড়ো-ছোটোর হিসেব করে না
(গ) সাদা-কালোর হিসেব করে না
(ঘ) ন্যায়-অনন্যায়ের হিসেব করে না
উত্তর: (খ) বড়ো-ছোটোর হিসেব করে না
১৯, দেশের ক্ষীণস্রোতা নির্জীব নদীটিকে নদেরচাঁদ যাঁর মতো মমতা করত—
(খ) গর্ভধারিনী মায়ের মতো -> (ক) গর্ভধারিনী মায়ের মতো (খ) চিরদুঃখী বোনের মতো (গ) অসুস্থ দুর্বল আত্মীয়ার মতো (ঘ) দরিদ্রদর্জরিত বন্ধুর মতো -> উত্তর: (গ) অসুস্থ দুর্বল আত্মীয়ার মতো
(ক) গর্ভধারিনী মায়ের মতো
(খ) চিরদুঃখী বোনের মতো
(গ) অসুস্থ দুর্বল আত্মীয়ার মতো
(ঘ) দরিদ্রদর্জরিত বন্ধুর মতো
উত্তর: (গ) অসুস্থ দুর্বল আত্মীয়ার মতো
২০, যে-বছরে নদীর ক্ষীণ স্রোতধারা শুকিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল, সেই বছরটি ছিল—
(ক) অনাবৃষ্টির বছর
(খ) অতিবৃষ্টির বছর
(গ) দুর্ভিক্ষের বছর
(ঘ) বন্যার বছর
উত্তর: (ক) অনাবৃষ্টির বছর
২১, দূরারোগ্য ব্যাধিতে ভুগতে ভুগতে পরমাত্মীয়া মরে যাওয়ার উপক্রম করলে মানুষ কাঁদে—
(ক) তাকে বাঁচাতে না-পারার অসহায়তায়
(খ) চিকিৎসা ভালোভাবে না-হওয়ার জন্য
(গ) ঈশ্বরের কাছে জীবন প্রার্থনা করে
(ঘ) তার চিকিৎসায় প্রচুর অর্থব্যয় হওয়ার জন্য
উত্তর: (ক) তাকে বাঁচাতে না-পারার অসহায়তায়
২২, নদেরচাঁদের সঙ্গে নদীর যে-সম্পর্ক ছিল, তাকে বলা হয়—
(ক) প্রেম
(খ) সখ্য
(গ) শত্রুতা
(ঘ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা
উত্তর: (খ) সখ্য
২৩, নদেরচাঁদ স্তম্বিত হয়ে গেল, কারণ—
(ক) নদীর জল শুকিয়ে গেছে
(খ) নদী বর্ষার জলে পরিপুষ্ট হয়ে গেছে
(গ) নদী যেন খেপে গেছে
(ঘ) নদী অপরূপ রূপ ধারণ করেছে
উত্তর: (গ) নদী যেন খেপে গেছে
২৪, ‘নদীর চাঞ্চল্য ছিল… প্রকাশ।’ (শূন্যস্থান)
(ক) বর্ষণ-পুষ্ট মূর্তির
(খ) পরিপূর্ণতার আনন্দের
(গ) নুতন সঞ্চিত শক্তির
(ঘ) উন্মত্ততার
উত্তর: (খ) পরিপূর্ণতার আনন্দের
২৫, নদীর জল ছিল—
(ক) স্বচ্ছ
(খ) পরিষ্কার
(গ) ফেনিল
(ঘ) পঙ্কিল
উত্তর: (ঘ) পঙ্কিল
২৬, এতক্ষণ নদেরচাঁদ যে-নদীর কথা ভাবছিল, তা—
(ক) বিস্তীর্ণ খরস্রোতা
(খ) ফেনোচ্ছ্বসিত স্রোতস্বিনী
(গ) উন্মত্ত আবর্তসঙ্কুল
(ঘ) সংকীর্ণ ক্ষীণস্রোতা
উত্তর: (ঘ) সংকীর্ণ ক্ষীণস্রোতা
২৭, নদেরচাঁদ স্টেশনমাস্টারের চাকরি করছে—
(ক) চার বছর
(খ) দু-বছর
(গ) পাঁচ বছর
(ঘ) এক বছর
উত্তর: (ক) চার বছর
২৮, নদেরচাঁদের চার বছরের চেনা নদীর মূর্তিকে আরও বেশি ভয়ংকর ও অপরিচিত মনে হওয়ার কারণ—
(ক) সে বহুদিন হল নদীর ধারে আসেনি
(খ) সে একটি সংকীর্ণ ক্ষীণস্রোতা নদীর কথা ভাবছিল
(গ) প্রবল বৃষ্টিতে নদীর এই চেহারা হয়েছে
(ঘ) নদীতে বাঁধ দেওয়া হয়েছে
উত্তর: (খ) সে একটি সংকীর্ণ ক্ষীণস্রোতা নদীর কথা ভাবছিল
২৯, ব্রিজের ধারকস্তম্ভের উপাদানগুলি হল—
(ক) পাথর ও বালি
(খ) মাটি ও পাথর
(গ) ইট, সুরকি ও সিমেন্ট
(ঘ) ইট, পাথর ও মাটি
উত্তর: (গ) ইট, সুরকি ও সিমেন্ট
৩০, নদেরচাঁদ রোজ নদীকে দেখে—
(ক) নদীর পাড়ে বসে
(খ) স্টেশনে বসে
(গ) বাঁধের ওপর বসে
(ঘ) ব্রিজের ধারকস্তম্ভের শেষপ্রান্তে বসে
উত্তর: (ঘ) ব্রিজের ধারকস্তম্ভের শেষপ্রান্তে বসে
৩১, নদীর স্রোত ফেনিল আবর্ত রচনা করে—
(ক) ধারকস্তম্ভে বাধা পাওয়ায়
(খ) জল বেড়ে যাওয়ায়
(গ) বাঁধ নির্মাণ করায়
(ঘ) মুষলধারায় বৃষ্টির কারণে
উত্তর: (ক) ধারকস্তম্ভে বাধা পাওয়ায়
৩২, এত উঁচুতে জল উঠে এসেছে যে, মনে হয় ইচ্ছা করলেই বুঝি—
(ক) ঝাঁপ দেওয়া যায়
(খ) হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করা যায়
(গ) স্নান করা যায়
(ঘ) জল পান করা যায়
উত্তর: (খ) হাত বাড়িয়ে স্পর্শ করা যায়
৩৩, ‘নদেরচাঁদের ভারি আমোদ বোধ হইতে লাগিল।’—কারণ—
(ক) বৃষ্টিতে ভিজে
(খ) বউকে চিঠি লিখে
(গ) নদীর স্ফীত রূপ দেখে
(ঘ) মাঠঘাট ডুবে যেতে দেখে
উত্তর: (গ) নদীর স্ফীত রূপ দেখে
৩৪, নদেরচাঁদ পকেট থেকে যা বের করে স্রোতের মধ্যে ছুড়ে দিল, তা হল—
(ক) পুরোনো চিঠি
(খ) টাকা
(গ) পয়সা
(ঘ) কাগজের টুকরো
উত্তর: (ঘ) কাগজের টুকরো
৩৫, ‘জলপ্রবাহকে আজ তাহার জীবন্ত মনে হইতেছিল,’—
(ক) প্রবল বর্ষণের জন্য
(খ) ভয়ঙ্করতার জন্য
(গ) বিরহবেদনার জন্য
(ঘ) উন্মত্ততার জন্য
উত্তর: (ঘ) উন্মত্ততার জন্য
৩৬, বউকে পাঁচ পাতার চিঠি লিখতে নদেরচাঁদের সময় লেগেছিল—
(ক) পাঁচ দিন
(খ) সাত দিন
(গ) এক দিন
(ঘ) দু-দিন
উত্তর: (ঘ) দু-দিন
৩৭, বউকে নদেরচাঁদ যে-চিঠি লিখেছিল, তার পৃষ্ঠাসংখ্যা—
(ক) দুই
(খ) পাঁচ
(গ) তিন
(ঘ) এক
উত্তর: (গ) তিন
৩৮, নদেরচাঁদের বউকে লেখা চিঠির বিষয়বস্তু ছিল—
(ক) বিরহবেদনা
(খ) আনন্দোল্লাস
(গ) শোকবার্তা
(ঘ) সাংসারিক পরামর্শ
উত্তর: (ক) বিরহবেদনা
৩৯, ‘ঘণ্টা … বিশ্রাম করিয়া মেঘের যেন নূতন শক্তি সঞ্চিত হইয়াছে।’ (শূন্যস্থান)
(ক) পাঁচেক
(খ) তিনেক
(গ) দুয়েক
(ঘ) খানেক
উত্তর: (গ) দুয়েক
৪০, ‘তারপর নামিল বৃষ্টি।’—বৃষ্টি পড়েছিল—
(ক) টিপটিপ করে
(খ) অঝোরে
(গ) মুষলধারায়
(ঘ) ঝমঝম করে
উত্তর: (গ) মুষলধারায়
৪১, ‘নদেরচাঁদ বসিয়া বসিয়া ভিজিতে লাগিল, উঠিল না।’—কারণ—
(ক) সে বৃষ্টিতে ভিজতে ভালোবাসত
(খ) তার উঠতে ইচ্ছে করছিল না
(গ) এটা তার ছেলেমানুষি
(ঘ) সে নদীর শব্দ শুনছিল
উত্তর: (ঘ) সে নদীর শব্দ শুনছিল
৪২, ‘নদেরচাঁদের মন হইতে ছেলেমানুষি আমোদ মিলাইয়া গেল।’—কারণ—
(ক) বৃষ্টিতে চারদিক আবছা হয়ে গেল
(খ) তার মনে ভয় উপস্থিত হল
(গ) তার ফিরতে দেরি হয়ে যাচ্ছিল
(ঘ) তার বউয়ের জন্য মনখারাপ করছিল
উত্তর: (খ) তার মনে ভয় উপস্থিত হল
৪৩, ‘এই ভীষণ-মধুর শব্দ’ বলতে এককথায় যা বোঝানো যেতে পারে, তা হল—
(ক) ভয়ংকর-সুন্দর
(খ) হিংস্র-বিষাক্ত
(গ) অবশ-বেদনাময়
(ঘ) ভয়ানক-সুন্দর
উত্তর: (ক) ভয়ংকর-সুন্দর
৪৪, ব্রিজের উপর দিয়ে ট্রেন চলে যাওয়ার শব্দে ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো একটা বেদনাবোধ হল নদেরচাঁদের। কারণ—
(ক) সেই শব্দ তাকে নৈসর্গিক নিস্তব্ধতা থেকে বাস্তবে ফিরিয়ে এনেছিল
(খ) সে মন দিয়ে নদীর উন্মত্ততা দেখছিল
(গ) সে তার জীবনের শূন্যতাকে অনুভব করছিল
(ঘ) সে ঘুমিয়ে পড়েছিল
উত্তর: (ক) সেই শব্দ তাকে নৈসর্গিক নিস্তব্ধতা থেকে বাস্তবে ফিরিয়ে এনেছিল
৪৫, ‘বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের।’—ভয়ের কারণ ছিল—
(ক) অন্ধকার
(খ) বৃষ্টি
(গ) নদীর প্রতিহিংসা
(ঘ) নদীর স্ফীতি
উত্তর: (গ) নদীর প্রতিহিংসা
৪৬, নদেরচাঁদের উন্মত্ত নদীর কয়েক হাত উঁচুতে বসে থাকা উচিত হয়নি মনে হল, কারণ—
(ক) বজ্রপাতে মারা যেতে পারত
(খ) ব্রিজ ভেঙে পড়তে পারত
(গ) সে পড়ে যেতে পারত
(ঘ) সে নদীর প্রতিহিংতার শিকার হতে পারত
উত্তর: (ঘ) সে নদীর প্রতিহিংতার শিকার হতে পারত
৪৭, নদীর বিদ্রোহের কারণ ছিল—
(ক) অতিরিক্ত বর্ষণ
(খ) অনাবৃষ্টি
(গ) বন্দিদশা থেকে মুক্তি
(ঘ) ক্ষীণস্রোত
উত্তর: (ক) অতিরিক্ত বর্ষণ
৪৮, ‘পারিলেও মানুষ কি তাকে রেহাই দিবে?’—যার কথা বলা হয়েছে, তা হল—
(ক) বাঁধ
(খ) নদী
(গ) ব্রিজ
(ঘ) নদেরচাঁদ
উত্তর: (খ) নদী
৪৯, নদেরচাঁদ গর্ব অনুভব করত—
(ক) নতুন রং করা ব্রিজটির জন্য
(খ) নদীটির জন্য
(গ) রেলের বাঁধটির জন্য
(ঘ) স্টেশনটির জন্য
উত্তর: (ক) নতুন রং করা ব্রিজটির জন্য
৫০, নদেরচাঁদের মৃত্যু হয়েছিল—
(ক) জলে ডুবে
(খ) ট্রেনের তলায়
(গ) ব্রিজ ভেঙে
(ঘ) মোটর দুর্ঘটনায়
উত্তর: (খ) ট্রেনের তলায়



