মাধ্যমিক বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান প্রশ্ন উত্তর-Madhyamik Bangla Bhashay Biggyan Question Answer
1, যাদের জন্য বিজ্ঞান-বিষয়ক বাংলা গ্রন্থ লেখা হয় তাদের বিভক্ত করা যায়—
(ক) দুটি শ্রেণিতে
(খ) চারটি শ্রেণিতে
(গ) তিনটি শ্রেণিতে
(ঘ) একটি শ্রেণিতে
উত্তর: (ক) দুটি শ্রেণিতে
2, অল্পবয়স্ক ছেলেমেয়ে এবং অলশিক্ষিত বয়স্ক লোকেরা যে শ্রেণিতে পড়ে, সেটি হল—
(ক) দ্বিতীয়
(খ) তৃতীয়
(গ) প্রথম
(ঘ) চতুর্থ
উত্তর: (গ) প্রথম
3, যারা ইংরেজি জানে তারা পড়ে—
(ক) প্রথম শ্রেণিতে
(খ) দ্বিতীয় শ্রেণিতে
(গ) তৃতীয় শ্রেণিতে
(ঘ) চতুর্থ শ্রেণিতে
উত্তর: (খ) দ্বিতীয় শ্রেণিতে
4, পিতলের চেয়ে হালকা ধাতু হল—
(ক) অ্যালুমিনিয়াম
(খ) পারদ
(গ) স্টেনলেস স্টিল
(ঘ) সোনা
উত্তর: (ক) অ্যালুমিনিয়াম
5, যেসব গাছে দু-রকম ফুল হয়, সেগুলির নাম হল—
(ক) পুইঁ-পালং
(খ) অশোক-পলাশ
(গ) গোলাপ-গাঁদা
(ঘ) লাউ-কুমড়ো
উত্তর: (ঘ) লাউ-কুমড়ো
6, ‘এইরকম সামান্য জ্ঞান থাকিলেও সুশৃঙ্খল আধুনিক তথ্য তাহা কিছুই জানে না।’ (শূন্যস্থান)
(ক) বৈজ্ঞানিক
(খ) রাজনৈতিক
(গ) সমাজবিদ্যার
(ঘ) নাগরিক
উত্তর: (ক) বৈজ্ঞানিক
7, প্রথম শ্রেণির পাঠক ভাষার প্রভাব থেকে মুক্ত। (শূন্যস্থান)
(ক) হিন্দি
(খ) বাংলা
(গ) ইংরেজি
(ঘ) সংস্কৃত
উত্তর: (গ) ইংরেজি
8, ছেলেবেলায় লেখক যে লেখকের বাংলা জ্যামিতি পড়তে হয়েছিল, তাঁর নাম—
(ক) অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
(খ) ব্রহ্মমোহন মল্লিক
(গ) অক্ষয়শঙ্কর রায়
(ঘ) বিজন ভট্টাচার্য
উত্তর: (খ) ব্রহ্মমোহন মল্লিক
9, সরকার ক্রমে ক্রমে রাজকার্যে দেশি পরিভাষা চালাচ্ছেন, তাতে অনেকে মুশকিলে পড়েছেন, কারণ—
(ক) তাঁরা বাংলা জানেন না
(খ) তাঁরা ইংরেজি জানেন না
(গ) তাঁদের নতুন করে শিখতে হচ্ছে
(ঘ) তাঁরা বাংলা ভুলে গেছেন
উত্তর: (গ) তাঁদের নতুন করে শিখতে হচ্ছে
10, ‘পাশ্চাত্য পাঠকের তুলনায় তার পক্ষে একটু বেশি চেষ্টা আবশ্যক।’—তার বলতে যাঁর কথা বোঝানো হয়েছে—
(ক) ইংরেজি না-জানা পাঠক
(খ) বাংলা না-জানা পাঠক
(গ) ইংরেজি জানা পাঠক
(ঘ) বাংলা জানা পাঠক
উত্তর: (গ) ইংরেজি জানা পাঠক
11, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার একটি প্রধান বাধা হল—
(ক) বাংলা ভাষার প্রতি অনীহা
(খ) ইংরেজি ভাষার প্রতি আকর্ষণ
(গ) ইংরেজি পারিভাষিক শব্দের অভাব
(ঘ) বাংলা পারিভাষিক শব্দের অভাব
উত্তর: (ঘ) বাংলা পারিভাষিক শব্দের অভাব
12, অনেক বছর আগে যে-সকল বিদ্যোৎসাহী নানা বিষয়ের পরিভাষা রচনা করেছিলেন, তাঁরা যে-সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তা হল—
(ক) সাহিত্য আকাদেমি
(খ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
(গ) সাহিত্য সংসদ
(ঘ) বঙ্গীয় সাহিত্য সংসদ
উত্তর: (খ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
13, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিদ্যোৎসাহী লেখকদের পরিভাষা রচনার উদ্যোগের যে-ত্রুটি ছিল, তা হল—
(ক) তাঁরা একযোগে কাজ করেননি
(খ) তাঁরা কাজ সম্পূর্ণ করেননি
(গ) তাঁদের কাজ ছিল নিয়মবহির্ভূত
(ঘ) তাঁরা একযোগে কাজ না-করে স্বতন্ত্রভাবে করেছিলেন
উত্তর: (ঘ) তাঁরা একযোগে কাজ না-করে স্বতন্ত্রভাবে করেছিলেন
14, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় পরিভাষা সমিতি নিয়োগ করেছিল—
(ক) ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে
(খ) ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে
(গ) ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে
(ঘ) ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর: (ক) ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে
15, ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে পরিভাষা সমিতি নিয়োগ করেছিল—
(ক) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ
(খ) সাহিত্য আকাদেমি
(গ) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
(ঘ) বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর: (গ) কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
16, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সংকলন—
(ক) যথেষ্ট বড়ো
(খ) অত্যন্ত ছোটো
(গ) মাঝারি মানের
(ঘ) খুব বড়ো নয়
উত্তর: (ঘ) খুব বড়ো নয়
17, ‘বিশ্ববিদ্যালয়-নিয়োজিত সমিতি বিস্তার শব্দ বজায় রেখেছেন।’ (শূন্যস্থান)
(ক) বাংলা
(খ) ইংরেজি
(গ) পারিভাষিক
(ঘ) সংস্কৃত
উত্তর: (ঘ) সংস্কৃত
18, বিশ্ববিদ্যালয়-নিয়োজিত পরিভাষা সমিতি যে-বস্তুগুলির ইংরেজি নামই বাংলা বানানে চলার বিধান দিয়েছেন, সেগুলো হল—
(ক) বিভিন্ন খাদ্যবস্তু
(খ) নানarakম ফুলের নাম
(গ) নবাগত রাসায়নিক
(ঘ) রূপান্তরিত রাসায়নিক
উত্তর: (গ) নবাগত রাসায়নিক
19, ‘পাশ্চাত্য দেশের তুলনায় এদেশের জনসাধারণের জ্ঞান নগণ্য।’ (শূন্যস্থান)
(ক) অর্থনৈতিক
(খ) বাস্তব
(গ) সাংস্কৃতিক
(ঘ) বৈজ্ঞানিক
উত্তর: (ঘ) বৈজ্ঞানিক
20, যার সঙ্গে পরিচয় না-থাকলে কোনো বৈজ্ঞানিক সন্দর্ভ বোঝা কঠিন, তা হল—
(ক) রসায়নশাস্ত্র
(খ) জীববিজ্ঞান
(গ) প্রাথমিক বিজ্ঞান
(ঘ) ভৌতবিজ্ঞান
উত্তর: (গ) প্রাথমিক বিজ্ঞান
21, ইউরোপ-আমেরিকায় যা লেখা সুসাধ্য, তা হল—
(ক) হোমসায়েন্স
(খ) পলিটিক্যাল সায়েন্স
(গ) এভরিডে সায়েন্স
(ঘ) পপুলার সায়েন্স
উত্তর: (ঘ) পপুলার সায়েন্স
22, যেসকল মহাদেশে পপুলার সায়েন্স লেখা সুসাধ্য, সেগুলি হল—
(ক) এশিয়া-রশিয়া
(খ) ইউরোপ-আমেরিকা
(গ) অস্ট্রেলিয়া-ইউরোপ
(ঘ) অ্যান্টার্কটিকা-আফ্রিকা
উত্তর: (খ) ইউরোপ-আমেরিকা
23, কালক্রমে এদ্দেণশে বৈজ্ঞানিক সাহিত্যের রচনা সুসাধ্য হবে, যদি—
(ক) বাংলায় বিজ্ঞান লেখা হয়
(খ) ভাষা শিক্ষার বিস্তার হয়
(গ) প্রামাণিক বাংলা শব্দ রচিত হয়
(ঘ) বিজ্ঞানশিক্ষার বিস্তার হয়
উত্তর: (ঘ) বিজ্ঞানশিক্ষার বিস্তার হয়
24, ‘Sensitized Paper’-এর অনুবাদ কী লিখলে ঠিক হয় বলে প্রাবন্ধিক মনে করেছেন—
(ক) স্পর্শকাতর কাগজ
(খ) সুভেদী কাগজ
(গ) সুগ্রাহী কাগজ
(ঘ) ব্যাখ্যাপ্ৰবণ কাগজ
উত্তর: (গ) সুগ্রাহী কাগজ
25, ‘The atomic engine has not even reached the blue print stage,’-এর বাংলা অনুবাদ হওয়া উচিত—
(ক) পরমাণু ইঞ্জিন নীলচিত্রের অবস্থাতেও পৌঁছোয়নি
(খ) পরমাণু ইঞ্জিন নীল মঞ্চে পৌঁছোয়নি
(গ) পরমাণু ইঞ্জিনের নকশা পর্যন্ত এখনো প্রস্তুত হয়নি
(ঘ) নীলচিত্র এখনো পরমাণু ইঞ্জিনের জন্ম দেয়নি
উত্তর: (গ) পরমাণু ইঞ্জিনের নকশা পর্যন্ত এখনো প্রস্তুত হয়নি
26, ‘অনেকে মনে করেন শব্দ বাদ দিয়ে বস্তু প্রকাশ করলে রচনা সহজ হয়।’ (শূন্যস্থান)
(ক) ইংরেজি
(খ) পারিভাষিক
(গ) নতুন
(ঘ) বৈজ্ঞানিক
উত্তর: (খ) পারিভাষিক
27, পরিভাষার উদ্দেশ্য হল—
(ক) ভাষার সংক্ষেপ এবং অর্থ সুনির্দিষ্ট করা
(খ) কোনো বিষয়কে বর্ণনা করা
(গ) অল্প পরিচিত শব্দের ব্যবহার করা
(ঘ) শব্দের অর্থের ব্যাখ্যা দেওয়া
উত্তর: (ক) ভাষার সংক্ষেপ এবং অর্থ সুনির্দিষ্ট করা
28, বারবার কোনো বিষয়ের বর্ণনা দিতে হলে—
(ক) ভাষা সরল হয় না
(খ) অনর্থক কথা বেড়ে যায়
(গ) বৈজ্ঞানিক যুক্তি খণ্ডিত হয়
(ঘ) অর্থ সুনির্দিষ্ট হয়
উত্তর: (খ) অনর্থক কথা বেড়ে যায়
29, পারিভাষিক শব্দের প্রথমবারের প্রয়োগের সময় তার যা দেওয়া আবশ্যক, তা হল—
(ক) উৎস
(খ) অর্থ
(গ) ব্যাখ্যা
(ঘ) মূল শব্দ
উত্তর: (গ) ব্যাখ্যা
30, অলংকারিক শব্দের—
(ক) একরকম গুণের কথা বলেছেন
(খ) দু-রকম গুণের কথা বলেছেন
(গ) তিনরকম গুণের কথা বলেছেন
(ঘ) চাররকম গুণের কথা বলেছেন
উত্তর: (গ) তিনরকম গুণের কথা বলেছেন
31, ‘অভিধা’ যে-অর্থ প্রকাশ করে, তা হল—
(ক) বিস্তৃত
(খ) সংক্ষিপ্ত
(গ) বিকৃত
(ঘ) আভিধানিক
উত্তর: (ঘ) আভিধানিক
32, ‘লক্ষণা’ যে-অর্থ প্রকাশ করে, তা হল—
(ক) বোধমূলক
(খ) আভিধানিক
(গ) বিস্তৃত
(ঘ) সংক্ষিপ্ত
উত্তর: (ক) বোধমূলক
33, ‘ব্যঞ্জনা’ যে-অর্থ প্রকাশ করে, তা হল—
(ক) বোধমূলক
(খ) আভিধানিক
(গ) নিগূঢ় অর্থ
(ঘ) বিস্তৃত
উত্তর: (গ) নিগূঢ় অর্থ
34, ‘অরণ্যে রোোদন’-এর ব্যঞ্জনার্থ হল—
(ক) বনে কান্না
(খ) বনের কান্না
(গ) নিষ্ফল ক্রোধ
(ঘ) নিষ্ফল খেদ
উত্তর: (ঘ) নিষ্ফল খেদ
35, উৎপ্রেক্ষা অলংকার বলতে বোঝায়—
(ক) উপমানকে উপমেয়রূপে ভুল করা
(খ) উপমেয়কে উপমানরূপে ভুল করা
(গ) উপমান ও উপমেয়ের অভেদ কল্পনা
(ঘ) উপমান ও উপমেয়ের অনুপস্থিতি
উত্তর: (খ) উপমেয়কে উপমানরূপে ভুল করা
36, অতিশয়োক্তি হল—
(ক) একপ্রকার অলংকার
(খ) একপ্রকার ছন্দ
(গ) ভাব শিক্ষার উপাদান
(ঘ) ব্যাকরণগত বিষয়
উত্তর: (ক) একপ্রকার অলংকার
37, অতিশয়োক্তি অলংকার বলতে বোঝায়—
(ক) উপমান ও উপমেয়ের অভেদ কল্পনা
(খ) উপমেয়ের উল্লেখ না-করে উপমানকে উপমেয়রূপে নির্দেশ করা
(গ) উপমানের উল্লেখ না-করে উপমেয়কে উপমানরূপে নির্দেশ করা
(ঘ) উপমান ও উপমেয়ের ব্যঞ্জনা
উত্তর: (ঘ) উপমান ও উপমেয়ের ব্যঞ্জনা
38, একই ধর্মবিশিষ্ট ভিন্ন-জাতীয় বস্তুদ্বয়ের মধ্যে সাদৃশ্য বর্ণনাকে বলে—
(ক) উৎপ্রেক্ষা
(খ) রূপক
(গ) অতিশয়োক্তি
(ঘ) উপমা
উত্তর: (ঘ) উপমা
39, রূপক বলতে বোঝায়—
(ক) উপমান ও উপমেয়ের অভেদ কল্পনা
(খ) একই ধর্মবিশিষ্ট ভিন্ন-জাতীয় বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য
(গ) উপমানকে উপমেয়রূপে ভুল করা
(ঘ) উপমান ও উপমেয়ের ব্যঞ্জনা
উত্তর: (ক) উপমান ও উপমেয়ের অভেদ কল্পনা
40, অলংকারের সার্থক প্রয়োগ হয়—
(ক) বৈজ্ঞানিক সাহিত্যে
(খ) সাধারণ সাহিত্যে
(গ) আঞ্চলিক সাহিত্যে
(ঘ) কথাসাহিত্যে
উত্তর: (খ) সাধারণ সাহিত্যে
১, ‘যাদের জন্য বিজ্ঞান বিষয়ক বাংলা গ্রন্থ বা প্রবন্ধ লেখা হয় তাদের মোটমাটি দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যেতে পারে।—শ্রেণি দুটি কী কী? (মাধ্যমিক ২০১৮)
উত্তর: ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধের লেখক রাজশেখর বসুর মতে, বিজ্ঞান-বিষয়ক বাংলা গ্রন্থের পাঠকদের দুটি শ্রেণীতে ভাগ করা যায়— (১) যারা ইংরেজি জানে না বা অতি অল্প জানে এবং (২) যারা ইংরেজি জানে এবং ইংরেজি ভাষায় অল্পাধিক বিজ্ঞান পড়েছে।
২, বিজ্ঞান বিষয়ক বাংলা গ্রন্থের পাঠকদের মধ্যে যারা লেখকের মতে প্রথম শ্রেণিরভুক্ত, তাদের বিবরণ দাও।
উত্তর: বিজ্ঞান বিষয়ক বাংলা গ্রন্থের পাঠকদের প্রথম শ্রেণিভুক্তরা হয় ইংরেজি জানেন না অথবা অতি অল্প জানেন। সাধারণ কমবয়সি ছেলেমেয়ে এবং অলশিক্ষিত বয়স্ক লোকেরাই এই শ্রেণিতে পড়েন।
৩, পাঠক ইংরেজি ভাষার প্রভাবমুক্ত হলে কী সুবিধা হয়?
উত্তর: পাঠক ইংরেজি ভাষার প্রভাবমুক্ত হলে বাংলা পরিভাষা আয়ত্ত করে বাংলায় বিজ্ঞান শেখা সহজতর হয়ে যায়। কারণ তার বাংলা ভাষার বিরোধী সংস্কার থাকে না।
৪, ‘তার মানেও স্পষ্ট হবে না।’—কিসের মানে স্পষ্ট না-হওয়ার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ইংরেজি জানা বা ইংরেজিতে পড়াশোনা করা পাঠকদের পক্ষে বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান-সংক্রান্ত প্রবন্ধ পাঠ খুব সহজ নয়। কারণ, বিষয়টি তাঁদের কাচে দিক থেকে স্পষ্ট হবে না।
৫, ‘আমাদের সরকার ক্রমে ক্রমে রাজকার্যে দেশি পরিভাষা চালাচ্ছেন,’—তাতে অনেকে মুশকিলে পড়েছেন কেন? (পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের নমুনা প্রশ্ন ২০১৯)
উত্তর: আমাদের সরকার রাজকার্যে যেভাবে দেশি পরিভাষা ক্রমশ ব্যবহার করাচ্ছেন তাতে অনেকে মুশকিলে পড়ছে, কেন-না তাদের নতুন করে সেগুলি শিখতে হচ্ছে।
৬, ‘তাঁদের নতুন করে শিখতে হচ্ছে।’—কী শেখার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: সরকারি কাজকর্মে বাংলা পারিভাষিক শব্দ ব্যবহার শুরু হওয়ায় অনেক ইংরেজি জানা ব্যক্তি মুশকিলে পড়েছেন। কারণ তাঁদের সেই পরিভাষা নতুন করে শিখতে হচ্ছে।
৭, কোন ধরনের পাঠকের পাশ্চাত্য পাঠকের তুলনায় বেশি চেষ্টা প্রয়োজন বলে লেখক মনে করেছেন?
উত্তর: দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠক অর্থাৎ ইংরেজি জানা ও ইংরেজি ভাষায় বিজ্ঞান পাঠের অভিজ্ঞতা আছে যাদের, তাদের পাশ্চাত্য পাঠকদের তুলনায় বেশি চেষ্টা করতে হবে।
৮, ‘পারিভাষিক শব্দ’ বলতে কী বোঝ?
উত্তর: ‘পারিভাষিক শব্দ’-এর অর্থ হল পরিভাষা-সম্বন্ধীয়। পরিভাষা এক ধরনের সংজ্ঞাবিশেষ, যার কোনোরকম অর্থান্তর ঘটে না। ইংরেজিতে একে ‘Glossary’ বা ‘Technical term’ বলে।
৯, ‘অনেক বছর পূর্বে…’—অনেক বছর আগের কোন প্রসঙ্গ এখানে উত্থাপন করা হয়েছে?
উত্তর: অনেক বছর আগে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তি বিভিন্ন বিষয়ের পরিভাষা রচনা করেছিলেন। এখানে সেই প্রসঙ্গের কথা বলা হয়েছে।
১০, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের ত্রুটি কী ছিল?
উত্তর: বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের সঙ্গে যুক্ত বিদ্বান ব্যক্তিবর্গ পরিভাষা রচনায় উদ্যোগী হলেও তাঁরা একযোগে কাজ না-করে পৃথকভাবে কাজ করেছিলেন।
১১, কবে, কাদের পৃষ্ঠপোষকতায় দ্বিতীয়বার পরিভাষা সমিতি নিযুক্ত হয়েছিল?
উত্তর: ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বিভিন্ন বিষয়ের দিকপালদের নিয়ে যে-পরিভাষা সমিতি গঠন করা হয়েছিল, তাকেই দ্বিতীয় বারের পরিভাষা সমিতির নিযুক্তিকরণ বলা হয়।
১২, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সমিতিতে কারা ছিলেন?
উত্তর: ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে নিযুক্ত পরিভাষা সমিতিতে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিজ্ঞানের অধ্যাপক, ভাষাতত্ত্ববিদ, সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত এবং কয়েকজন লেখককে নিযুক্ত করা হয়েছিল।
১৩, কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সংকলনটি কতখানি সাফল্যমণ্ডিত হয়েছিল?
উত্তর: কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সংকলনটি লেখক রাজশেখর বসুর মতে খুব বড়ো নয়। এতে আরও শব্দের প্রয়োজন আছে এবং তার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
১৪, লেখক রাজশেখর বসু প্রয়োজন মতো বাংলা শব্দ পাওয়া না-গেলে কী করা উচিত বলে জানিয়েছেন?
উত্তর: লেখক রাজশেখর বসু জানিয়েছেন যে, প্রয়োজন মতো বাংলা শব্দ না-পাওয়া গেলে বৈজ্ঞানিক রচনায় ইংরেজি শব্দই বাংলা বানানে চালানো যেতে পারে।





