হারিয়ে যাওয়া কালি কলম – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম – মাধ্যমিক দশম শ্রেণীর বাংলা প্রশ্ন ও উত্তর
Madhyamik Bengali Hariya Jawa Kali Kolom Question and Answer
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম — MCQ প্রশ্ন ও উত্তর
1. ‘শ্রীপান্থ’ ছদ্মনামে লিখেছেন—
ক) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
খ) বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
গ) সমরেশ বসু
ঘ) নিখিল সরকার
উত্তর: (ঘ) নিখিল সরকার।
2. নিচের কোন বইটি শ্রীপান্থের লেখা—
ক) আজব দুনিয়া
খ) মিছিলনগরী
গ) আজবনগরী
ঘ) আনন্দনগরী
উত্তর: (গ) আজবনগরী।
3. লেখক যে-অফিসে কাজ করতেন, সেটি হল—
ক) সরকারি অফিস
খ) পত্রিকা অফিস
গ) সওদাগরি অফিস
ঘ) বেসরকারি অফিস
উত্তর: (খ) পত্রিকা অফিস।
4. লেখকের অফিসে সবাই—
ক) ফাঁকিবাজ
খ) লেখক
গ) ইঞ্জিনিয়ার
ঘ) গম্ভীর
উত্তর: (খ) লেখক।
5. লেখকের হাতে ছাড়া আর কারও হাতে কী নেই?
ক) ঘড়ি
খ) সময়
গ) কাজ
ঘ) কলম
উত্তর: (ঘ) কলম।
6. লেখক ছাড়া তাঁর অফিসের আর সকলের সামনেই রয়েছে—
ক) কম্পিউটার
খ) ক্যালকুলেটর
গ) টাইপরাইটার
ঘ) টেলিফোন
উত্তর: (ক) কম্পিউটার।
7. লেখকের লেখাকে ভালোবেসে ছাপার জন্য তৈরি করে দেন—
ক) তাঁর বন্ধু
খ) তাঁর অধস্তন কর্মচারী
গ) তাঁর সহকর্মীরা
ঘ) তাঁর সহকারী
উত্তর: (গ) তাঁর সহকর্মীরা।
8. একদিন কোনো কারণে অফিসে কী নিয়ে যেতে ভুলে গেলে বিপদ?
ক) চাবি
খ) কলম
গ) চশমা
ঘ) ঘড়ি
উত্তর: (খ) কলম।
9. কীসে লিখে লেখকের সুখ নেই?
ক) কম্পিউটারে
খ) টাইপরাইটারে
গ) গলা-শুকনো ভোঁতা-মুখ কলমে
ঘ) ফাউন্টেন পেন-এ
উত্তর: (গ) গলা-শুকনো ভোঁতা-মুখ কলমে।
10. বাংলা প্রবাদটি হল—‘কালি নেই, কলম নেই, বলে আমি—’
ক) কলমচি
খ) মুনশি
গ) লেখক
ঘ) মন
উত্তর: (খ) মুনশি।
11. লেখক ছোটোবেলায় থাকতেন—
ক) গ্রামে
খ) শহরে
গ) মফস্সলে
ঘ) বিদেশে
উত্তর: (ক) গ্রামে।
12. লেখক জন্মেছেন ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ রচনার—
ক) ২০–২৫ বছর আগে
খ) ৩০ বছর আগে
গ) ৫০–৬০ বছর আগে
ঘ) ৭৫ বছর আগে
উত্তর: (গ) ৫০–৬০ বছর আগে।
13. লেখকরা ছোটোবেলায় কলম তৈরি করতেন—
ক) পাখির পালক দিয়ে
খ) নলখাগড়া দিয়ে
গ) হাড় দিয়ে
ঘ) রোগা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে
উত্তর: (ঘ) রোগা বাঁশের কঞ্চি দিয়ে।
14. কলমের কালি ধীরে ধীরে চুঁইয়ে পড়ার জন্য কী করণীয়?
ক) কলমের মুখটা চিরে দিতে হবে
খ) কলমের মুখটা সার্প করতে হবে
গ) কলমের মুখটা ঘষে নিতে হবে
ঘ) কলমের মুখটা একটু ভোঁতা হতে হবে
উত্তর: (ক) কলমের মুখটা চিরে দিতে হবে।
15. লেখকরা হোমটাস্ক করতেন—
ক) শুকনো তালপাতায়
খ) কলাপাতায়
গ) পদ্মপাতায়
ঘ) শালপাতায়
উত্তর: (খ) কলাপাতায়।
16. অক্ষরজ্ঞানহীনকে লোকে বলে—
ক) অন্ধের কী বা দিন কী বা রাত
খ) কৃতজ্ঞ গোমাংস
গ) কুয়োর ব্যাঙ
ঘ) চোখ থাকতেও অন্ধ
উত্তর: (খ) কৃতজ্ঞ গোমাংস।
17. ছোটোবেলায় কালি তৈরি করতে লেখকদের সাহায্য করতেন—
ক) মা-পিসি-দিদিরা
খ) বাবা-কাকা-দাদারা
গ) স্কুলের মাস্টারমশাইরা
ঘ) বন্ধুবান্ধবরা
উত্তর: (ক) মা-পিসি-দিদিরা।
18. ত্রিফলা বলতে যে-তিনটি ফলকে বোঝায়, সেগুলি হল—
ক) হরীতকী, সুপারি, এলাচ
খ) হরীতকী, সুপারি, আমলকী
গ) বহেড়া, হরীতকী, আমলকী
ঘ) বহেড়া, সুপারি, আমলকী
উত্তর: (গ) বহেড়া, হরীতকী, আমলকী।
19. ছোটোবেলায় লেখকদের বাড়িতে রান্না হত—
ক) গ্যাসে
খ) স্টোভে
গ) সৌর কুকারে
ঘ) কাঠের উনুনে
উত্তর: (ঘ) কাঠের উনুনে।
20. কাঠের উনুনে রান্নার ফলে কড়াইয়ের তলায় জমত—
ক) কালি
খ) তেল
গ) কাঠের গুঁড়ো
ঘ) ছাই
উত্তর: (ক) কালি।
21. কড়াইয়ের তলার কালি ঘষে তোলা হত—
ক) শিউলি পাতা দিয়ে
খ) কচু পাতা দিয়ে
গ) লাউ পাতা দিয়ে
ঘ) কুমড়ো পাতা দিয়ে
উত্তর: (গ) লাউ পাতা দিয়ে।
22. ছোটোবেলায় লেখকদের লেখালেখির প্রথম উপকরণগুলি ছিল—
ক) খাগের কলম, মাটির দোয়াত, ভূর্জপত্র, ভেষজ কালি
খ) পালকের কলম, তুলট কাগজ, কাচের দোয়াত, ঘরে বানানো কালি
গ) বাঁশের কলম, মাটির দোয়াত, কলাপাতা, ঘরে তৈরি কালি
ঘ) স্লেট, পেনসিল
উত্তর: (গ) বাঁশের কলম, মাটির দোয়াত, কলাপাতা, ঘরে তৈরি কালি।
23. লেখক প্রাচীন মিশরে জন্মালে কী দিয়ে লিখতেন?
ক) বাঁশের কঞ্চি
খ) নলখাগড়ার কলম
গ) হাড়ের কলম
ঘ) পালক
উত্তর: (খ) নলখাগড়ার কলম।
24. লেখক প্রাচীন ফিনিশীয় হলে লেখার জন্য ব্যবহার করতেন—
ক) পালক
খ) স্টাইলাস
গ) হাড়
ঘ) নলখাগড়া
উত্তর: (ঘ) নলখাগড়া।
25. ‘স্টাইলাস’ আসলে কী?
ক) প্লাটিনাম শলাকা
খ) লৌহ শলাকা
গ) ব্রোঞ্জের শলাকা
ঘ) তামার শলাকা
উত্তর: (গ) ব্রোঞ্জের শলাকা।
26. সিজার কলম দিয়ে কাকে আঘাত করেছিলেন?
ক) রোমুলাসকে
খ) কাসকাকে
গ) হেনরিয়েটাকে
ঘ) ডরোথিকে
উত্তর: (খ) কাসকাকে।
27. চিনারা চিরকাল লিখে আসছে—
ক) তুলিতে
খ) খাগড়ার কলমে
গ) ব্রোঞ্জের শলাকাতে
ঘ) কুইলে
উত্তর: (ক) তুলিতে।
28. ‘জ্ঞানাঞ্জন-শলাকা’ আসলে—
ক) কাজল পরার কাঠিবিশেষ
খ) কলম
গ) পেনসিল
ঘ) হাড় থেকে তৈরি পেনবিশেষ
উত্তর: (ক) কাজল পরার কাঠিবিশেষ।
29. খাগের কলম একমাত্র দেখা যায়—
ক) নববর্ষের সময়
খ) হাতেখড়ির সময়
গ) সরস্বতী পূজার সময়
ঘ) পরীক্ষার সময়
উত্তর: (খ) হাতেখড়ির সময়।
30. সরস্বতী পূজার সময় কাচের দোয়াতে কালির বদলে থাকে—
ক) জল
খ) দুধ
গ) রং
ঘ) মধু
উত্তর: (খ) দুধ।
31. কুইল হল—
ক) খাগের কলম
খ) পালকের কলম
গ) খাগড়ার কলম
ঘ) কঞ্চির কলম
উত্তর: (খ) পালকের কলম।
32. ‘বাবু কুইল ড্রাইভারস’ কথাটি কাদের বলা হত?
ক) গরম গরম ইংরেজি বলা বাঙালি সাংবাদিকদের
খ) সরল হিন্দি ভাষায় কথা বলা সাংবাদিকদের
গ) ভাঙা ভাঙা হিন্দিভাষী সাংবাদিকদের
ঘ) সাবলীল বাংলাভাষী সাংবাদিকদের
উত্তর: (ক) গরম গরম ইংরেজি বলা বাঙালি সাংবাদিকদের।
33. ‘বাবু কুইল ড্রাইভারস’ কথাটি বলেছেন—
ক) লর্ড বেন্টিঙ্ক
খ) লর্ড কার্জন
গ) উইলিয়াম কেরি
ঘ) হেস্টিংস
উত্তর: (খ) লর্ড কার্জন।
34. পালকের কলম এখন দেখতে পাওয়া যায়—
ক) পত্রিকার অফিসে
খ) সরস্বতী পূজার সময়
গ) বিশ্বকর্মা পূজার সময়
ঘ) পুরোনো দিনের তৈলচিত্র ও ফোটোগ্রাফে
উত্তর: (ঘ) পুরোনো দিনের তৈলচিত্র ও ফোটোগ্রাফে।
35. কার ছবিতে সামনে দোয়াতে গোঁজা পালকের কলম দেখা যায়?
ক) দেবী সরস্বতীর
খ) রবীন্দ্রনাথের
গ) উইলিয়াম জোন্স কিংবা কেরি সাহেবের
ঘ) বিদ্যাসাগরের
উত্তর: (গ) উইলিয়াম জোন্স কিংবা কেরি সাহেবের।
36. লেখকের মতে তিনিই হলেন দার্শনিক, যিনি—
ক) দর্শনের অধ্যাপক
খ) কানে কলম গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন
গ) চোখে চশমা এঁটে বই পড়েন
ঘ) ভাবের জগতে থাকেন
উত্তর: (খ) কানে কলম গুঁজে দুনিয়া খোঁজেন।
37. লেখক ছেলেবেলায় কাকে পায়ের মোজায় কলম রাখতে দেখেছিলেন?
ক) মন্ত্রীমশাইকে
খ) দারোগাবাবুকে
গ) মাস্টারমশাইকে
ঘ) পণ্ডিতমশাইকে
উত্তর: (খ) দারোগাবাবুকে।
38. কোনো কোনো অতি আধুনিক ছেলে কোথায় কলম রাখে?
ক) বুক-পকেটে
খ) কাঁধের ছোট্ট পকেটে
গ) পাঞ্জাবির পকেটে
ঘ) পায়ের মোজায়
উত্তর: (খ) কাঁধের ছোট্ট পকেটে।
39. ‘কায়স্থ’ আর ‘রাজপুত’-কে চেনা যায় যথাক্রমে—
ক) কলম ও গায়ের রঙে
খ) কলম ও গোঁফে
গ) আভিজাত্য ও গোঁফে
ঘ) দেশপ্রেম ও সত্যবাদিতায়
উত্তর: (খ) কলম ও গোঁফে।
40. কালির অক্ষর নাইকো পেটে, চণ্ডী পড়েন—
ক) কালীঘাটে
খ) বাবুঘাটে
গ) গঙ্গাঘাটে
ঘ) খেয়াঘাটে
উত্তর: (ক) কালীঘাটে।
41. দেশে সবাই সাক্ষর না-হলেও কলম এখন—
ক) অস্পৃশ্য
খ) সর্বজনীন
গ) দুর্লভ
ঘ) মহার্ঘ
উত্তর: (খ) সর্বজনীন।
42. কলমের দুনিয়ায় সত্যিকারের বিপ্লব ঘটায়—
ক) ব্রোঞ্জের শলাকা
খ) বল-পেন
গ) ফাউন্টেন পেন
ঘ) কুইল বা পালকের পেন
উত্তর: (গ) ফাউন্টেন পেন।
43. ফাউন্টেন পেনের বাংলা নাম ‘ঝরনা কলম’ দেন—
ক) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
খ) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর: (গ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
44. ফাউন্টেন পেনের প্রবর্তা—
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) লুইস অ্যাডসন
গ) পিটার পার্কার
ঘ) লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান
উত্তর: (ঘ) লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান।
45. লেখক প্রথম যে-ফাউন্টেন পেনটি কিনেছিলেন, তার নাম হল—
ক) পার্কার
খ) শেফার্ড
গ) ওয়াটারম্যান
ঘ) জাপানি পাইলট
উত্তর: (ঘ) জাপানি পাইলট।
46. লেখক তাঁর প্রথম ফাউন্টেন পেনটি কবে নাগাদ কেনেন?
ক) প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর
খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর
গ) ভারতের স্বাধীনতার পর
ঘ) ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময়
উত্তর: (খ) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর।
47. বিখ্যাত লেখক শৈলজানন্দের ফাউন্টেন পেনের সংগ্রহ ছিল—
ক) ডজন খানেক
খ) হাফ ডজন
গ) ডজন দুয়েক
ঘ) ডজন তিনেক
উত্তর: (গ) ডজন দুয়েক।
48. শৈলজানন্দ ফাউন্টেন পেন সংগ্রহের নেশা পেয়েছিলেন—
ক) শরৎচন্দ্রের থেকে
খ) রবীন্দ্রনাথের থেকে
গ) অবনীন্দ্রনাথের থেকে
ঘ) তারাশঙ্করের থেকে
উত্তর: (ক) শরৎচন্দ্রের থেকে।
49. আদিতে ফাউন্টেন পেনের নাম ছিল—
ক) ঝরনা কলম
খ) রিজার্ভার পেন
গ) ওয়াটারম্যান
ঘ) শেফার্ড
উত্তর: (খ) রিজার্ভার পেন।
50. উন্নতমানের ফাউন্টেন পেনের নির্মাতা কে ছিলেন?
ক) ওয়াটারম্যান
খ) লুইস ওয়াটার
গ) অ্যান্ডারসন
ঘ) জন স্টিভেনসন
উত্তর: (ক) ওয়াটারম্যান।
51. লেখক কঞ্চির কলমকে ছুটি দেন—
ক) শহরে হাই স্কুলে ভর্তির পর
খ) কলেজে ওঠার পর
উত্তর: (ক) শহরে হাই স্কুলে ভর্তির পর।
52. বিদেশে উন্নত ধরনের টেকসই নিব তৈরি হত—
ক) বাঁশ বা কঞ্চি কেটে
খ) পালক কেটে
গ) গোরুর শিং বা কচ্ছপের খোল কেটে
ঘ) প্লাটিনাম কেটে
উত্তর: (গ) গোরুর শিং বা কচ্ছপের খোল কেটে।
53. প্রথম দিকে লেখা শুকনো করা হত—
ক) বালি দিয়ে
খ) ব্লটিং পেপার দিয়ে
গ) চক দিয়ে
ঘ) কাপড়ের টুকরো দিয়ে
উত্তর: (ক) বালি দিয়ে।
54. প্রথম দিকে বালি দিয়ে কালি শুকনো করলেও পরের দিকে তা করা হত—
ক) ব্লটিং পেপার দিয়ে
খ) চক দিয়ে
গ) শুকনো কাপড় দিয়ে
ঘ) কোনোটিই নয়
উত্তর: (ক) ব্লটিং পেপার দিয়ে।
55. সোনার দোয়াত কলমের সত্যতা লেখক জেনেছিলেন—
ক) অবনীন্দ্রনাথের দোয়াত সংগ্রহ থেকে
খ) শৈলজানন্দের কাছ থেকে
গ) সুভো ঠাকুরের দোয়াত সংগ্রহ দেখে
ঘ) শরৎচন্দ্রের কলম সংগ্রহ থেকে
উত্তর: (গ) সুভো ঠাকুরের দোয়াত সংগ্রহ দেখে।
56. ফাউন্টেন পেনের পর বাজারে এল—
ক) খাগের কলম
খ) কঞ্চির কলম
গ) বল-পেন
ঘ) পালকের কলম
উত্তর: (গ) বল-পেন।
57. কম্পিউটার কাদের জাদুঘরে পাঠাবে বলে প্রতিজ্ঞা করেছে?
ক) খাগের কলমকে
খ) ফাউন্টেন পেনকে
গ) বল-পেনকে
ঘ) সব কলমকে
উত্তর: (ঘ) সব কলমকে।
58. যারা ওস্তাদ কলমবাজ তাদের বলা হত—
ক) ক্যালিগ্রাফিস্ট
খ) স্টেনোগ্রাফার
গ) টাইপিস্ট
ঘ) জার্নালিস্ট
উত্তর: (ক) ক্যালিগ্রাফিস্ট।
59. ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ রচনায় লেখকের বয়স কত বলে ধারণা করা হয়েছে—
ক) চল্লিশ-পঞ্চাশ
খ) পঞ্চাশ-ষাট
গ) পঁয়তাল্লিশ-পঞ্চাশ
ঘ) ষাট-সত্তর
উত্তর: (খ) পঞ্চাশ-ষাট।
60. উনিশ শতকে বত্রিশ হাজার অক্ষর লেখানোর পারিশ্রমিক ছিল—
ক) আটআনা
খ) দোলআনা
গ) বারোআনা
ঘ) চারআনা
উত্তর: (গ) বারোআনা।
61. কলমের শক্তিকে কিসের শক্তির সঙ্গে তুলনা করা হয়ে থাকে?
ক) বন্দুকের
খ) বন্ধুকের
গ) তলোয়ারের
ঘ) কামানের
উত্তর: (গ) তলোয়ারের।
62. ‘অনেক ধরে ধরে টাইপরাইটারে লিখে গেছেন মাত্র একজন।’ তিনি হলেন—
ক) সত্যজিৎ রায়
খ) অন্নদাশংকর রায়
গ) রাজশেখর বসু
ঘ) সুবোধ ঘোষ
উত্তর: (খ) অন্নদাশংকর রায়।
হারিয়ে যাওয়া কালি কলম — অতি সংক্ষিপ্ত (SAQ) প্রশ্নোত্তর (১ নম্বর)
২.১: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের লেখক শ্রীপান্থের আসল নাম কী?
উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের লেখক শ্রীপান্থের আসল নাম নিখিল সরকার।
২.২: ‘… লেখে তিনজন।’—এই তিনজন কে কে?
উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে বর্ণিত বাংলা প্রবাদ অনুযায়ী এই তিনজন হল— কালি, কলম আর মন।
২.৩: লেখক যেখানে কাজ করেন সেটা কীসের অফিস?
উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধের লেখক শ্রীপান্থ যেখানে কাজ করেন, সেটা লেখালেখির অফিস।
২.৪: ‘কিন্তু আমি ছাড়া কারও হাতে কলম নেই।’—কেন?
উত্তর: লেখক শ্রীপান্থ কাজ করতেন একটি সংবাদপত্র অফিসে। সেখানে একমাত্র তিনিই কলমে লিখতেন, বাকি সকলেই লিখতেন কম্পিউটারে। তাই কারও হাতে কলম থাকত না।
২.৫: লেখকরা মাঝে মাঝে লেখা থামিয়ে পর্দার দিকে তাকাচ্ছেন কেন?
উত্তর: লেখকরা ইতিমধ্যে যা লিখেছেন, তা পর্দায় ফুটে উঠেছে। সেগুলি পড়ার জন্যই তাঁরা মাঝে মাঝে পর্দার দিকে তাকাচ্ছেন।
২.৬: কারা, কীভাবে লেখকের লেখাকে ছাপার জন্য তৈরি করে দেন?
উত্তর: লেখকের সহকর্মীরা তাঁকে ভালোবেসে তাঁর লেখা কম্পিউটারে টাইপ করে ছাপার জন্য তৈরি করে দেন।
২.৭: ‘একদিন যদি কোনও কারণে কলম নিয়ে যেতে ভুলে যাই তবেই বিপদ।’—কী ধরনের বিপদের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: লেখক শ্রীপান্থের অফিসে তিনি ছাড়া সকলেই কম্পিউটারে লিখতেন। কলম নিতে ভুলে গেলে কলম পাওয়া ভার ছিল। আর পেলেও তাতে তিনি লিখে সুখ পেতেন না।
২.৮: ‘দায়সারা ভাবে কোনও মতে সেদিনকার মতো কাজ সারতে হয়।’—বক্তার এমন মন্তব্যের কারণ কী?
উত্তর: লেখক অফিসে কলম নিয়ে না-এলে সেদিন তাঁর লেখায় ব্যাঘাত ঘটত। চেষ্টা করে যদিও-বা ভোঁতামুখ একখানি কলম জুটত, তাতে লিখে সুখ পেতেন না। লেখক কাজটি তখন দায়সারাভাবে সারতেন।
২.৯: ‘কালগুণে বুঝি বা আজ আমরাও তা-ই’—বক্তব্যটি পরিস্ফুট করো।
উত্তর: লেখকের লেখালেখির অফিস, অথচ কলম নেই। তাই ‘কালি নেই, কলম নেই, বলে আমি মুনশি’ প্রবাদটির মাধ্যমে তিনি বলতে চেয়েছেন আমরাও যেন তা অনুসরণ করছি।
২.১০: ‘বড়োরা শিখিয়ে দিয়েছিলেন,’ বড়োরা কী শিখিয়ে দিয়েছিলেন?
উত্তর: লেখকরা ছোটোবেলায় বাঁশের কঞ্চি দিয়ে কলম বানাতেন। বড়োরা তখন কলমের মুখটা সরু করার সঙ্গে সঙ্গে চিরে দেওয়ার কথাও শিখিয়ে দিতেন, কালি যাতে চুইয়ে পড়ে।
২.১১: ‘আর সেগুলি বান্ডিল করে নিয়ে যেতাম স্কুলে।’—‘সেগুলি’ বলতে কীসের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: লেখকরা ছোটোবেলায় কলাপাতাকে কাগজের মতো করে কেটে তাতে স্কুলের কাজ করতেন। মাস্টারমশাইকে দেখানোর জন্য সেগুলি বান্ডিল করে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে।
২.১২: ‘…গোরু খেয়ে নিলে অমঙ্গল।’—গোরু কী খেয়ে নিলে অমঙ্গল এবং সেই অমঙ্গল এড়ানোর জন্য কী করা হত?
উত্তর: যে-কলাপাতায় লেখকরা ছোটোবেলায় হোমটাস্ক করতেন, সেগুলি বাইরে ফেললে যদি গোরু খেয়ে নেয়, তবে অমঙ্গল হতে পারে। অমঙ্গল এড়াতে সেগুলো পুকুরে ফেলে দেওয়া হত।
২.১৩: ‘আমরা কালিও তৈরি করতাম নিজেরাই।’—কালি তৈরির পদ্ধতিটি কীরূপ ছিল?
অথবা, লেখকেরা কীভাবে সহজ পদ্ধতিতে কালি তৈরি করতেন?
উত্তর: কড়াইয়ের ভুসো কালি জলে গুলে তাতে হরীতকী ঘষে বা আতপ চাল পোড়া মিশিয়ে, সবশেষে খুন্তিকে লাল করে পুড়িয়ে সেই জলে ছ্যাঁকা দিয়ে কালি তৈরি হত।
২.১৪: ‘দোয়াত মানে মাটির দোয়াত।’—‘দোয়াত’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ‘দোয়াত’ হল কালি রাখার পাত্র। ছোটোবেলায় কালি তৈরির পর ন্যাকড়ায় ছেঁকে লেখকরা মাটির দোয়াতে ঢেলে রাখতেন। দোয়াত মাটি ছাড়াও কাচ ও অন্যান্য ধাতুর হত।
২.১৫: প্রাচীনদের কালি তৈরি প্রসঙ্গে অভিমত কী ছিল?
উত্তর: প্রাচীনেরা তিল, ত্রিফলা আর শিমুল ছাল ছাগলের দুধে ফেলে লোহার পাত্রে রেখে অন্য একটি লোহার খুন্তি দিয়ে উপকরণগুলি ঘষে কালি বানাতেন।
২.১৬: লেখক ভারতে না-জন্মে যদি প্রাচীন মিশরে জন্মাতেন তবে কী করতেন?
উত্তর: লেখক যদি ভারতে না-জন্মে প্রাচীন মিশরে জন্মাতেন তবে, নীলনদের তীর থেকে নলখাগড়া ভেঙে সেটাকে ভোঁতা করে তুলি কিংবা ছুঁচোলো করে কলম বানাতেন।
২.১৭: ‘কলম সেদিন খুনিও হতে পারে বইকি।’—বক্তব্যটি স্পষ্ট করো।
উত্তর: খ্রিস্টের জন্মের আগে রোমের অধীশ্বর জুলিয়াস সিজার ব্রোঞ্জের কলম বা স্টাইলাস দিয়ে কাসকাকে আঘাত করেছিলেন। সে-কথাই এখানে বলা হয়েছে।
২.১৮: ‘পালকের কলমও আর চোখে পড়ে না।’—‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধ থেকে পালকের কলম সম্পর্কে কী জানা যায়?
অথবা, কুইল কী?
উত্তর: পালকের কলমের ইংরেজি নাম ‘কুইল’। কার্জন বাঙালি সাংবাদিকদের ইংরেজি দেখে নাম দেন ‘বাবু কুইল ড্রাইভারস’। এখন এই ‘কুইল’ কেবল পুরোনো দিনের ছবিতেই দেখা যায়।
২.১৯: ‘যন্ত্রটা এক ধরনের পেনসিল সার্পনারের মতো।’—কোন্ যন্ত্রের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: পালককে কেটে কলম বানানোর জন্য সাহেবরা একটা ছোটো যন্ত্র বের করেছিলেন। যার মধ্যে পালক ঢুকিয়ে চাপ দিলেই তৈরি হয়ে যেত কলম, সেই কথাই বলা হয়েছে।
২.২০: কলম বিক্রি পেশা সম্পর্কে ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে লেখক কী বলেছেন?
উত্তর: শ্রীপান্থ তাঁর প্রবন্ধে কলম বিক্রির পেশা সম্পর্কে এক বিদেশি সাংবাদিকের কথার প্রতিধ্বনি করে বলেছেন যে, ‘চৌরঙ্গির ফুটপাতের প্রতি তিনজন বিক্রেতার একজন হলেন কলম বিক্রেতা।’
২.২১: ‘ও দিদি, আপনার খোঁপায় কলম।’—প্রসঙ্গটি বুঝিয়ে দাও।
উত্তর: অনেক সময় ভিড় ট্রামে-বাসে যাতায়াত করতে গিয়ে কারও বুক-পকেটে রাখা পেন আটকে যায় কোনো মহিলা যাত্রীর খোঁপায়। সেই প্রসঙ্গেই বক্তার এমন সরস মন্তব্য।
২.২২: ‘কলম তাদের কাছে অস্পৃশ্য।’—কেন?
উত্তর: বর্তমানে ডট-পেন বা বল-পেনের রমরমার যুগে কলম অত্যন্ত সস্তা ও সর্বভোগ্য হয়ে পড়েছে। পকেটমারদের কাছে তাই হাতসাফাইয়ের বস্তু হিসেবে কলম অস্পৃশ্য।
২.২৩: ‘আবার তিনি ছুটলেন কালির সন্ধানে।’—কে, কেন কালির সন্ধানে ছুটেছিলেন?
উত্তর: ফাউন্টেন পেনের আবিষ্কর্তা লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তিপত্র সই করার সময় দোয়াত উলটে সব কালি পড়ে যায়। তখন তিনি কালির সন্ধানে ছুটলেন।
২.২৪: ‘জন্ম নিল ফাউন্টেন পেন।’—ফাউন্টেন পেনের জন্মবৃত্তান্তটি উল্লেখ করো।
উত্তর: লুইস অ্যাডসন ওয়াটারম্যান একবার এক চুক্তিপত্র সই করার সময় দোয়াত উলটে যাওয়ায় চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। এরই বিহিত করতে তিনি ফাউন্টেন পেন আবিষ্কার করেন।
২.২৫: লেখক কোথা থেকে তাঁর জীবনের প্রথম ফাউন্টেন পেনটি কিনেছিলেন?
উত্তর: লেখক শ্রীপান্থ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের বেশ কয়েক বছর পরে কলকাতার কলেজ স্ট্রিটের এক নামি দোকান থেকে তাঁর জীবনের প্রথম ফাউন্টেন পেনটি কিনেছিলেন।
২.২৬: পেনের নিব ঠিক আছে কিনা তা দোকানদার কীভাবে লেখককে দেখিয়েছিলেন?
উত্তর: দোকানদার টেবিলের একপাশে দাঁড় করানো একটা কাঠের বোর্ডের ওপর কলমটা ছুড়ে দিলেন। তারপর সেটা খুলে নিয়ে লেখককে দেখালেন যে, নিবটা অক্ষত আছে।
২.২৭: ‘এই নেশা পেয়েছি আমি শরৎদার কাছ থেকে।’—কোন্ নেশার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধে প্রবন্ধকার শ্রীপান্থ শৈলজানন্দের ফাউন্টেন পেন সংগ্রহের নেশার কথা বলেছেন। তাঁর সংগ্রহে মূল্যবান কলম ছিল প্রায় দু-ডজন।
২.২৮: লেখক হাই স্কুলে পড়ার সময় কী ধরনের কালি ব্যবহার করতেন?
উত্তর: হাই স্কুলে পড়ার সময় লেখক লাল, নীল কালির ট্যাবলেট দিয়ে কালি বানাতেন। এ ছাড়া দোয়াতে আর বোতলে তৈরি কালিও পাওয়া যেত।
২.২৯: ‘অবাক হয়ে সেদিন মনে মনে ভাবছিলাম।’—লেখক কী ভাবছিলেন?
উত্তর: সুভো ঠাকুরের বিখ্যাত দোয়াত সংগ্রহ দেখে লেখক শ্রীপান্থ ভেবেছিলেন যে, শেকসপিয়র থেকে শুরু করে আমাদের শরৎচন্দ্র পর্যন্ত সাহিত্য ও ইতিহাসের বিখ্যাত চরিত্ররা সেইসব দোয়াত ব্যবহার করেই অমর সব রচনা লিখে গেছেন।
২.৩০: ‘যন্ত্রযুগ সকলের দাবি মেটাতেই তৈরি।’—কী ধরনের দাবির কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ফাউন্টেন পেনের বিজ্ঞাপনে ব্যক্তিবিশেষের চাহিদা ও পছন্দের কথা প্রসঙ্গে শ্রীপান্থের এই উক্তি। কোম্পানি বিভিন্ন শ্রেণির লেখকদের জন্য সাতশো রকমের নিব ও ধনীদের জন্য সোনায় গড়া হিরে বসানো কলমও তৈরি করেছিল।
২.৩১: ‘কিন্তু ইতিহাসে ঠাঁই কিন্তু তার পাকা।’—কার, কেন ইতিহাসে ঠাঁই পাকা?
উত্তর: কম্পিউটারের যুগে কলমের সুদিনের অবসান হয়েছে। তবু ইতিহাসে কলমের স্থান পাকা। মোগল-সহ বিশ্বের সব দরবারেই লিপিকুশলীরা বিশেষভাবে সম্মানিত হয়ে এসেছেন এই কলম দিয়ে লিখেই।
২.৩২: শ্রীপান্থের লেখা ‘হারিয়ে যাওয়া কালি কলম’ প্রবন্ধটি থেকে আঠেরো শতকের লিপিকরদের পারিশ্রমিক সম্পর্কে কী জানতে পারা যায়?
উত্তর: অষ্টাদশ শতকে একজন লিপিকর চারখন্ড রামায়ণ কপি করে পেয়েছিলেন নগদ সাত টাকা, কিছু কাপড় আর মিঠাই।





