প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম প্রশ্ন ও উত্তর | মাধ্যমিক বাংলা
১.১ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি যে-কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত, তা হল—
ক) অগ্নিবীণা
খ) সর্বহারা
গ) ফণীমনসা
ঘ) ঝড়
উত্তর: ক) অগ্নিবীণা
১.২ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটির প্রকাশকাল হল—
ক) ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ
খ) ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ
গ) ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ
ঘ) ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর: ক) ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ
১.৩ ‘তোরা সব ………. কর’। (শূন্যস্থান)
ক) বিদ্রোহ
খ) প্রলয় নাচন
গ) জয়ধ্বনি
ঘ) সৃজন-বেদন
উত্তর: গ) জয়ধ্বনি
১.৪ কবি ‘নূতনের কেতন’ বলেছেন—
ক) দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা-কে
খ) অট্টরোলের হট্টগোল-কে
গ) বিশ্বমায়ের আসন-কে
ঘ) কালবৈশাখীর ঝড়-কে
উত্তর: ঘ) কালবৈশাখীর ঝড়-কে
১.৫ ‘প্রলয়োল্লাস’ শব্দের অর্থ হল—
ক) ধ্বংসের আনন্দ
খ) রথঘর্ঘর
গ) ভয়ংকরের চতুরঙ্গ
ঘ) দিগন্তরের কাঁদন
উত্তর: ক) ধ্বংসের আনন্দ
১.৬ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটির মুখ্য উপজীব্য হল—
ক) প্রলয়
খ) বিপ্লববাদ
গ) যুদ্ধ
ঘ) সহমর্মিতা
উত্তর: খ) বিপ্লববাদ
১.৭ কবি ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় আসন্ন প্রলয় সম্পর্কে যে-বিশেষণটি ব্যবহার করেননি, সেটি হল—
ক) অসহায়
খ) অনাগত
গ) ভয়ংকর
ঘ) চিরসুন্দর
উত্তর: ক) অসহায়
১.৮ অনাগত প্রলয় যেখানে ধমক হেনে আগল ভাঙল, তা হল—
ক) বিশ্বমায়ের আসন
খ) সপ্ত মহাসিন্ধু
গ) সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে
ঘ) নীল খিলানে
উত্তর: গ) সিন্ধুপারের সিংহদ্বারে
১.৯ ভয়ংকর আসছে—
ক) কেশের দোলায় ঝাপটা মেরে
খ) বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে
গ) অরুণ হেসে করুণ বেশে
ঘ) আসছে হেসে মধুর হেসে
উত্তর: খ) বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে
১.১০ ‘ঝামর’ শব্দের অর্থ হল—
ক) আলুথালু
খ) বাটকা
গ) কৃষ্ণবর্ণ
ঘ) গভীর
উত্তর: গ) কৃষ্ণবর্ণ
১.১১ ধূমকেতুকে ‘জ্বালামুখী’ বলার কারণ হল—
ক) ধূমকেতুর পুচ্ছটি ধূম্রনির্মিত
খ) ধূমকেতু আগুন উদ্গিরণ করে
গ) ধূমকেতু সব কিছু পুড়িয়ে দেয়
ঘ) ধূমকেতু নিজে পুড়ে যায়
উত্তর: ক) ধূমকেতুর পুচ্ছটি ধূম্রনির্মিত
১.১২ ‘কৃপাণ’ শব্দটির অর্থ হল—
ক) কিপটে
খ) তরবারি
গ) ছোরা
ঘ) ঢাল
উত্তর: গ) ছোরা
১.১৩ চরাচর স্তব্ধ হওয়ার কারণ—
ক) দিগন্তরের কাঁদন
খ) জগৎজুড়ে প্রলয় এবার ঘনিয়ে আসে
গ) দেবতা বাঁধা যজ্ঞ-যুপে
ঘ) অট্টরোলের হট্টগোলে
উত্তর: ঘ) অট্টরোলের হট্টগোলে
১.১৪ ‘সপ্ত মহাসিন্ধু দোলে/কপোলতলে।’—’কপোল’ শব্দের অর্থ হল—
ক) কপাল
খ) গাল
গ) পায়রা
ঘ) কপূর
উত্তর: খ) গাল
১.১৫ ‘মাভৈঃ মাভৈঃ’ ধ্বনির তাৎপর্য হল—
ক) ভয় না-পেয়ে এগিয়ে চলো
খ) ভয়ের কথা ভেব না
গ) যুদ্ধে জয়ী হও
ঘ) মা-কে সর্বদা ভক্তি করো
উত্তর: ক) ভয় না-পেয়ে এগিয়ে চলো
১.১৬ ‘মুমূর্ষু’ শব্দের একটি প্রতিশব্দ হল—
ক) অসুস্থ
খ) উপবাসী
গ) অর্ধমৃত
ঘ) ভয়ংকর
উত্তর: গ) অর্ধমৃত
১.১৭ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ‘শিশু-চাঁদ’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
ক) ছোটো চাঁদ
খ) সদ্য উদিত চাঁদ
গ) চাঁদের সন্তান
ঘ) চাঁদের মতো সুন্দর শিশু
উত্তর: খ) সদ্য উদিত চাঁদ
১.১৮ ‘উল্কা ছুটায় নীল খিলানে!’—’নীল খিলান’ বলতে এখানে বোঝানো হয়েছে—
ক) গাছপালাকে
খ) আকাশকে
গ) প্রাসাদকে
ঘ) মন্দিরকে
উত্তর: খ) আকাশকে
১.১৯ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ‘রথঘর্ঘর’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
ক) রথ ভেঙে পড়ার শব্দ
খ) বজ্রপাতের শব্দ
গ) রথের চাকায় ঘর্ষণের শব্দ
ঘ) রথে চড়ে যুদ্ধের শব্দ
উত্তর: গ) রথের চাকায় ঘর্ষণের শব্দ
১.২০ ‘জীবনহারা অ-সুন্দরে করতে ছেদন।’ কে আসছে?
ক) নবীন
খ) চিরসুন্দর
গ) মহাকাল-সারথি
ঘ) মুমূর্ষু
উত্তর: ক) নবীন
১.২১ যে ‘ভেঙে আবার গড়তে জানে’ তার নাম হল—
ক) প্রলয়-নেশার নৃত্যপাগল
খ) জ্বালামুখী ধূমকেতু
গ) বিশ্বমাতা
ঘ) চিরসুন্দর
উত্তর: ঘ) চিরসুন্দর
১.২২ বধূদের যা তুলে ধরতে বলা হয়েছে, তা হল—
ক) চাবুক
খ) মশাল
গ) প্রদীপ
ঘ) কৃপাণ
উত্তর: গ) প্রদীপ
১.২৩ সুন্দর যার বেশে আসছে, সে হল—
ক) কালবৈশাখীর ঝড়
খ) জ্বালামুখী ধূমকেতু
গ) দ্বাদশ রবি
ঘ) কাল-ভয়ংকর
উত্তর: ঘ) কাল-ভয়ংকর
১.২৪ ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতায় ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর’ বাক্যটি মোট কতবার ব্যবহৃত হয়েছে?
ক) পনেরো বার
খ) উনিশ বার
গ) সতেরো বার
ঘ) একুশ বার
উত্তর: খ) উনিশ বার
১.২৫ ‘দ্বাদশ রবির বহ্নিজ্বালা ভয়াল তাহার নয়নকটায়,’—’দ্বাদশ রবি’ বলতে বোঝানো হয়েছে—
ক) বারোটি রবি
খ) সকালের রবি
গ) মধ্যাহ্নের রবি
ঘ) অস্তগামী রবি
উত্তর: ক) বারোটি রবি
১.২৬ ‘অন্ধ কারার বন্ধ কূপে/দেবতা বাঁধা যজ্ঞ-যুপে’—এক্ষেত্রে কবি ‘দেবতা’ বলতে বুঝিয়েছেন—
ক) মহাদেবকে
খ) ভারতীয় বিপ্লবীকে
গ) দেশমাতাকে
ঘ) দেশনায়ককে
উত্তর: খ) ভারতীয় বিপ্লবীকে
১.২৭ ‘এবার মহানিশার শেষে’—এক্ষেত্রে মহানিশা বলতে কবি বুঝিয়েছেন—
ক) দীর্ঘ রাত্রি শেষে
খ) দীর্ঘ পরাধীনতার শেষে
গ) দীর্ঘ কারাবাসের শেষে
ঘ) দীর্ঘ প্রত্যাশার শেষে
উত্তর: খ) দীর্ঘ পরাধীনতার শেষে
১.২৮ নীচের কোনটি নজরুলের লেখা কাব্যগ্রন্থ নয়—
ক) মানসী
খ) ফণীমনসা
গ) চক্রবাক
ঘ) বিষের বাঁশি
উত্তর: ক) মানসী
১.২৯ ‘বিশ্বপিতার বক্ষ-কোলে’—কী ঝোলে?
ক) মুণ্ডু
খ) ফল
গ) কৃপাণ
ঘ) ফুল
উত্তর: গ) কৃপাণ
১.৩০ ‘তোরা সব জয়ধ্বনি কর।’ যাঁর জয়ধ্বনি করতে হবে, তিনি হলেন—
ক) দেশনেতা
খ) মহাকাল
গ) দেশমাতা
ঘ) প্রলয়ংকর শিব
উত্তর: ঘ) প্রলয়ংকর শিব
১.৩১ ‘মৃত্যু-গহন অন্ধকূপে’ বলতে কবি বুঝিয়েছেন—
ক) কুসংস্কারগ্রস্ত সমাজ
খ) রাত্রির অন্ধকার
গ) ভীতিজনক স্থান
ঘ) পরাধীন ভারত
উত্তর: ক) কুসংস্কারগ্রস্ত সমাজ
১.৩২ ‘ওই নূতনের কেতন ওড়ে…’—কেতন ওড়ে—
ক) কালবৈশাখীর ঝড়ের মতো
খ) আগুনের লেলিহান শিখার মতো
গ) বজ্রশিখার মশাল জ্বেলে
ঘ) বিজয় পতাকার মতো
উত্তর: ক) কালবৈশাখীর ঝড়ের মতো
১.৩৩ ‘মহাকালের চণ্ড-রূপে’ আসছেন—
ক) সৃষ্টির দেবতা
খ) মানসী
গ) মহাকালী
ঘ) কালবৈশাখীর ঝড়
উত্তর: ক) সৃষ্টির দেবতা
১.৩৪ ‘বিশ্বমায়ের আসন’—
ক) দুলে উঠেছে
খ) ছিন্ন হয়েছে
গ) পাতা হয়েছে
ঘ) মহাকাল ধারণ করে রেখেছেন
উত্তর: ঘ) মহাকাল ধারণ করে রেখেছেন
১.৩৫ ‘দিগন্তরের কাঁদন লুটায় পিঙ্গল তার এস্ত জটায়!’—’পিঙ্গল’ শব্দের অর্থ—
ক) পীতাভ (হলুদ) গাঢ় নীল
খ) সাদা
গ) রক্তবর্ণ
ঘ) পাণ্ডুর
উত্তর: ক) পীতাভ (হলুদ) গাঢ় নীল
১.৩৬ ‘দেবতা বাঁধা যজ্ঞ-যুপে ________।’ (শূন্যস্থান)
ক) ভীষণ স্তূপে
খ) অন্ধকূপে
গ) পাষাণ স্তূপে
ঘ) চণ্ডরূপে
উত্তর: গ) পাষাণ স্তূপে
১.৩৭ কাল ভয়ংকরের বেশে কে আসে?
ক) সুন্দর
খ) অসুন্দর
গ) মধুর
ঘ) বীভৎস
উত্তর: ক) সুন্দর
১.৩৮ ‘… কিসের তবে ডর?’—ডর নেই, কারণ—
ক) ধ্বংস-সৃষ্টি বিধাতার নিয়ম।
খ) যিনি ধ্বংস করেছেন, তিনিই আবার সৃষ্টি করবেন।
গ) জীর্ণ পুরাতনের ধ্বংস অনিবার্য।
ঘ) যাঁরা জয়ধ্বনি করেন, তাদের ভয় নেই।
উত্তর: খ) যিনি ধ্বংস করেছেন, তিনিই আবার সৃষ্টি করবেন।





